ক্রাইম রিপোর্টার:
মাটির সবচেয়ে উপরের উর্বর স্তর,যেখানে জৈব পদার্থ,অণুজীব ও পুষ্টি উপাদান সবচেয়ে বেশী থাকে। যা ফসল উৎপাদন ও উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি মাটির প্রাণ হিসাবে পরিচিত। সাধারণত ৮-১০ ইঞ্চি গভীর হয় যা গাছপালার মূল্যের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরী করে। আর সেই টপ সয়েল নিধনের মহাউৎসব চলছে রংপুর সদর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে। আর অন্য দিকে ঘুমান্ত অবস্থায় রয়েছেন রংপুর সদর উপজেলার কৃষি অফিসার আফরিন বিনতে আজিজ এমন অভিযোগ করছেন সচেতন কৃষকরা।
গতকাল বুধবার রংপুর সদর উপজেলা পাঁচটি ইউনিয়নের সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়,মমিনপুর ইউনিয়নের মুন্সিরহাট,জানপুর,ডালিয়া,মমিনপুর,চানকুঠির, হরিদেবপুর ইউনিয়নের বাইশের দোলা,মহাদেবপুর,শীবের বাজার,পানবাজার,কামারপাড়া, চন্দনপাট ইউনিয়নের সাহাবাজপুর,কলাবাগান,চাপরার দোলা,অযোদ্ধাপুর, সদ্যপুস্করিন ইউনিয়নের দলবাড়ী,কাঁটাবাড়ী,কেরানীপাড়া,ধাপেরহাট,বোতলা,পালিচড়া সহ খলেয়া ইউনিয়নের উত্তর খলেয়া,ধনতলা,লালচাঁদপুর,সলেয়াশাহ্ সহ প্রতিটি পাতারেই চলছে টপ সয়েল কাটার বা নিধনের মহাউৎসব।
এই বিষয়ে কৃষক ছাদেকুল,রহিম,লতিব, মিরাজ সহ অনেকই বলে,আমাদের সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন কৃষি নির্ভরশীল। বিশেষ করে সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়নের কৃষকদের উৎপাদন করা ফসল বা সবজি দিয়ে রংপুর বিভাগসহ সারাদেশে রপ্তানি করে সফল্য অর্জন করেছে তারা। তারা আরো বলেন, যে ভাবে কৃষি জমির উপরের মাটি কাটা হচ্ছে, তাতে করে উৎপাদন কমবে! এবং এত কৃষিতে এক দুর্ভোগ দেখা দিতে পারে! তারা অভিযোগ করে আরো বলেন, যেভাবে কৃষি জমির মাটি কাটা হচ্ছে তাতে একদিন আসি না কৃষি অফিসার এসে বাধা দিছে না কোন বিএস ইউনিয়ন সহকারী কৃষি কর্মকর্তা) এসে বাধা দিছে। এই ব্যাপারে তাদের ঘুম এখন ভাঙ্গে নাই আক্ষেপ করে বলেন কৃষক ছাদেক আলী।
সদর উপজেলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃষি শিক্ষকরা জানান, এই নামে বেনামে দিন দিন ইটভাটার বৃদ্ধি হওয়ায় আর তাদের কাচা মাল এর যোগান দিতেই নিধন করা হচ্ছে কৃষি জমির টপ সয়েল। এতে করে যে জমি মাটি টাকা হচ্ছে তাদের উৎপাদন কমে যাবে অর্ধেক এর বেশী যা আগামী দশ বছরেও ক্ষতিটা পূরণ হবে না। আমার চাই কৃষি অফিস এই বিষয় গুলোর প্রতি নজর দিক। কিন্তু হতাশার বিষয় তাদের তো এই বিষয়ে নিয়ে ঘুমই ভাঙ্গছে না। ব্যবস্থা আর কি গ্রহণ করবে।
রংপুর সদর উপজেলার কৃষি অফিসার আফরিন বিনতে আজিজ এর সাথে মুটো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,এই বিষয়ে এখন আমি কোন বক্তব্য দিতে পারব না।

