অমৃত জ্যোতি(মধ্যনগর)সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের কোন হাওরেই সরকারি ভাবে উন্মুক্ত করা হয়নি মাছের পোনা।এতে করে এই অঞ্চলের জনমানুষের আমিষের চাহিদা ও রাজধানীতে হাওরের মাছের চাহিদা মিটাতে হুমকির স্বীকার হতে হবে এমনটাই ধারনা করা হচ্ছে।
এউপজেলায় সবমিলে প্রায় পনেরোটির বেশী হাওর রয়েছে।জনমনে প্রশ্ন মাছের অভয়ারণ্য বলেখ্যাত এলাকায় কেন এমনটি?
দেশীয় ছোট’বড় মাছ সহ সকল প্রজাতির জলজপ্রাণী চায়না দোয়ারী জালের কবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে’না অর্ধ ইঞ্চি দৈর্ঘের পোনা,ছোট বড় মা’মাছ,বানহর,কেচো,সরীসৃপরা প্রাণীরাও।
প্রায় অর্ধযুগ ধরে হাওরের গভীর জলের তলদেশে চায়না দোয়ারী জালের ব্যবহার প্রচলন করে আসছে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী ও মাছ শিকারীরা।
টাঙ্গুয়া,ফাস্যুয়া,বোয়ালা,টগা, মরিচাকুরি,ঘোড়াডুবা,বানছাফড়া,শা লদীঘা,আশায়ানী,কাইল্যানী,গুরমা, হাড়িবন্ধ হাওর।সুমেশ্বরী,ঘোমাই,মনাই,ঘাসী গাঙ্গ সহ অসংখ্য হাওর নদীনালাতে রাতে আধারে চলে চায়না দোয়ারী জালের অভয়ারণ্য।
যার দরুন অর্ধযুগ ধরে মধ্যনগরের ছোট,বড়,প্রায় পনেরোটির বেশী হাওরে দেশীয় সকল প্রজাতির মাছের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।এইএলাকার জনমানুষের হাতে টাকা থাকলেও মাছের অভাবে বিদেশী পাঙ্গাস,তেলাপিয়া,কার্প জাতীয় ও ব্রয়লার পোলট্রি কিনতে দেখা যায় প্রতিনিয়তই।হাওরাঞ্চলের জনমানুষের আমিষের চাহিদা মিঠাতে এই পথের বিকল্প নেই বলছেন এলাকাবাসীরা।
তবে গবেষকগণ বলছেন বর্ষার মৌসুমে সরকারীভাবে পর্যাপ্ত মাছের পোনা উন্মুক্ত করা ও চায়না দোয়ারী জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা জরুরী।নাহয় আমিষের চাহিদা এবং প্রতিনিয়তই রাজধানী মুখী মাছ রপ্তানি করতে পারবেনা এই এলাকার মানুষ।
ধর্মপাশা উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে দৈনিক আমার সংবাদকে জানান উপজেলাটি নতুন হওয়ার কারনে মৎস কার্যক্রমের বিষয়টি এখনো আলাদা হয়নি।যার দরুন সরকারী বরাদ্দ নেই।আশা করছি খুব মৎস্য বিভাগটি আলদা হবে এবং শিগ্রই এসকল সমস্যার সমাধান হবে।মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায়ের সাথে কথা বললে তিনি বলেন হাওরে পোনা ছাড়ার কোন প্রস্তুতি নেই।

