মানিকগঞ্জের পদ্মার শাখা নদীতে দীর্ঘ প্রায় এক মাস ধরে আতঙ্কের নাম ছিল এক কুমির। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা এলাকা থেকে স্থানীয়রা তৈরি ফাঁদে কুমিরটি ধরা সক্ষম হন।
হরিরামপুর উপজেলা বনকর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শনিবার সকালে তিনি জানান, ধুলসুরা ও হারুকান্দি ইউনিয়নের পাশাপাশি হাটিপাড়া ইউনিয়নের নদীতে কুমিরটির অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে স্থানীয় যুবকরা এটিকে আটক করেছেন।
কুমির ধরার কাজে অংশ নেন রাহাত, অন্তর, রাকিব, আল আমিন, সুরুজ ও শাহিন। জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে চরবংখুড়ি, বোয়ালী, আইলকুন্ডি, খামারহাটি ও তন্ত্রখোলা এলাকায় কুমিরটি একাধিকবার দেখা গিয়েছিল। এ ঘটনায় নদীপাড়ের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে নদীতে নামা বন্ধ করে দেন।
যুবকরা দীর্ঘদিন ধরে কুমিরটির অবস্থান নজরদারি করছিলেন। শুক্রবার সকাল থেকে কুমিরটি নদীতে দেখা দিলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চৌকিঘাটার পানিতে ভেসে উঠার সময় ফাঁদে আটকে ধরা সম্ভব হয়। কুমিরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ ফুট বলে তারা জানান।
বনকর্মকর্তা শরিফুল জানিয়েছেন, খবর পেয়ে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনায় নেওয়া হবে, সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে আবার অবমুক্ত করা হবে।

