বহুল প্রতীক্ষিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মানিক মিয়া এভিনিউ একসময়ে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
সংঘর্ষের সময় আন্দোলনকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড হিসেবে ব্যবহৃত ‘রোড ব্লকার’ একত্রিত করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ওই সড়কে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি সেচ ভবনের সামনে তৈরি অস্থায়ী তাঁবুতেও আগুন দেওয়া হয়, যার ফলে প্রচুর পরিমাণ আসবাবপত্র ও সিরামিক থালা-বাসন ভাঙচুর করা হয়েছে।
দুপুর ২টার দিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনকারীদের মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে সরিয়ে দেন। বর্তমানে পুলিশ পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। তবে আন্দোলনকারীরা আসাদগেট ও খামার বাড়ি এলাকার দিকে অবস্থান নিয়েছেন, থেমে থেমে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ছে।
মানিক মিয়া এভিনিউ এবং মিরপুর সড়কে যান চলাচল ও সাধারণ মানুষের হেঁটে চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
এর আগে সকাল থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করেছিল। জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও ৩ দফা দাবিতে অবস্থান নেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ তাদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানান, কিন্তু আন্দোলনকারীরা পূর্ব অবস্থানেই থাকে। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সরিয়ে দেয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।
আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে।

