Bangla FM
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • কলাম
  • ভিডিও
  • অর্থনীতি
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • প্রবাস
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
Bangla FM

আখাউড়া-কসবা সড়কে ভোগান্তি চরমে

Taslima TanishabyTaslima Tanisha
২:৪৬ pm ১০, অক্টোবর ২০২৫
in গ্রাম বাংলা
A A
0
কাজী মফিকুল ইসলাম,(ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি):
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া-কসবা আঞ্চলিক সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। এই সড়কের বিভিন্ন অংশে ইট খোয়া উঠে স্থানে স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে আছে। সড়কে কোথাও কোথাও কাদামাটিতে আটকে যাচ্ছে গাড়ি। তাছাড়া আখাউড়া অংশে বেহালের পাশাপাশি কাকিনা খালের উপর নির্মিত একটি সেতু দেবে ও মাঝখানে বড় ফাটল দেখা দেওয়ায় ওই পথে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
পায়ে হেটে চলাচল করতে একটি বাঁশের সাকু তৈরী করা হয়েছে। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর যে অবস্থা রয়েছে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেতুর উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ ও সড়ক বেহাল দশা থাকায় পথচারীদের ভোগান্তি বাড়ছে।
স্থানীয় লোকজনরা জানায়, আখাউড়-কসবা এই দুই উপজেলার মানুষের চলাচলের জন্য এই সড়কটি খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন এই দুই উপজেলার  স্কুল, কলেজ, মাদরাসার শিক্ষক শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী, অসংখ্য পথচারী নিত্যদিন চলাচল করছে। সেইসাথে চলছে শত শত সিএনজি অটো রিকসা, ট্রাক, ট্রাক্টর, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন প্রকার যানবাহন।  বর্তমানে সড়কটি বেহল দশায় পরিণত হয়ে জনগনের গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মোগড়া ও মনিয়ন্দ ইউনিয়নের কাকিনা খালের উপর নির্মিত একটি সেতু দেবে ও মাঝখানে বড় ফাটল দেখা দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওই পথে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ওইপথে  কসবা-আখাউড়া সড়কে বিভিন্ন জায়গায় স্থানে স্থানে পিচ, খোয়া,ইট উঠে স্থানে স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে আছে।  কোথাও কোথাও  ওইসব গর্তে আটকে যাচ্ছে গাড়ি। চালক এবং যাত্রী মিলে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে গাড়ি পার করছেন। সড়কের বেহাল দশার কারণে অসুস্থ রোগীসহ সাধারণ পথচারীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তি নিয়ে যাতায়ত করছেন। বেহাল এ সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। ভাঙাচোরা সড়ক হওয়ার কারণে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়াও।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় ‘রুরাল কানেক্টিভিটি ইমপ্রভমেন্ট প্রজেক্ট’ প্রকল্পে কসবা-আখাউড়া সড়কের কসবা অংশের ৭ কিলোমিটার ও আখাউড়া অংশের চার কিলোমিটারসহ মোট ১৩ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারে ১৩ কোটি ২৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকার টেন্ডার আহ্বান করা হয়। কাজটি কিশোরগঞ্জের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মমিনুল হক পেয়েছে। টেন্ডার অনুযায়ী ২০২৪ সালের জুলাই মাসে কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলে ও এখন পযর্ন্ত তেমন দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি। এ অবস্থার ফলে চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাতায়াতকারীরা।
স্কুল ছাত্রী তানিয়া আক্তার বলেন, প্রতিদিন সেতু পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। সেতুর উপরে উঠলেই ভয় লাগে। তবু বাধ্য হয়ে আসা যাওয়া করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় দ্রæত সেতুটি নির্মাণ করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কমানা করছি।
অটো রিকশা চালক মো: আবু মিয়া বলেন, আমরা আখাউড়া,মোগড়া- ইমামবাড়িও তার আশপাশে অটো রিকশা চলাচল করে থাকি। কিন্তু সেতুটি দেবে যাওয়ায় ইমামবাড়ির দিকে যেতে পারছি না। আমাদের আয় রোজগারও কমে এসেছে।
যাত্রী মো: বাবুল মিয়া বলেন কাকিনা সেতুর মাঝের অংশ দেবে যাওয়ায় কারণে কয়েক মাস ধরে সকল প্রকারের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
আখাউড়া-কসবা যাতায়ত করতে নিচে ৭-৮ কিলোমিটার এলাকা ঘুরে আমাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। তাছাড়া কসবার সড়ক ও রয়েছে বেহাল দশা। এতে আমাদের দুর্ভোগসহ খরচের পরিমাণ ও কয়েকগুন বেড়েছে।
অটোরিকশা চালক মনির হোসেন বলেন, কসবা-আখাউড়া সড়কটি গত দুই বছর ধরে বেহাল দশায় থাকায় আমরা বিপাকে আছি। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী বা রোগী নিয়ে কসবায় আসা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, দ্রæত যেন সড়কটি মেরামত করা হয়।
মো: দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ছোট বড় নানা ধরনের যানবাহন দিয়ে কয়েক হাজার লোকজন চলাচল করছে। বর্তমানে সড়কের বেশীভাগ অংশই গর্ত আর খানাখন্দে ভরা। সেইসাথে দেবে আছে একটি ব্রিজ। যেন দেখার কেউ নেই। আমরা খুব কষ্ট করে ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করছি। দুর্ভোগ লাগবে দ্রæত সড়কটি মেরামতের দাবি জানান।
ব্যবসায়ী মো: বকুল মিয়া বলেন, মালামাল আনতে প্রায় সময় কসবা যাওয়া হয়। সড়ক বেহাল দশা থাকায় এক দিন গেলে আর পরের দিন যেতে ইচ্ছে করে না । তাছাড়া সেতুর উপর গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় সামনে এসে নেমে গিয়ে মালামাল নিয়ে সেতুর ওই পাশে গিয়ে পুনরায় আরেকটি গাড়িতে উঠতে হচ্ছে। এ অবস্থায় মালামাল নিয়ে আসা যাওয়া করতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। তাছাড়া ভাড়াও দিতে হচ্ছে বেশী।
আখাউড়া উপজেলা প্রকোশলী মো: আমিনুল ইসলাম সুমন বলেন, আখাউড়া-কসবা সড়কের কাকিনা খালের উপর নির্মিত সেতুটি দেবে যাওয়ার কারণে নতুন সেতু নির্মাণ করতে ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কুমিল্লা-চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রজেক্টের আওতায় সয়েল টেষ্ট ও সার্ভে শেষ হয়েছে। প্রায় ৫ কোটি টাকার একটি বাজেট করে আমাদের অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে ৩০ মিটার দৈর্ঘের সিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হবে। আশা করছি দ্রæত এ কাজটি করতে পারব।
কসবা উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: জহিরুল ইসলাম বলেন, আখাউড়া  কসবা পথে বেহাল সড়ক সংস্কারে টেন্ডার হয়েছে।  ঠিদকারের গাফিলতিতে কাজটি হয়ে উঠছে না। এ নিয়ে আমরাও উদ্বিগ্ন। কাজটি দ্রুত  শেষ করতে আমরা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বারবার তাগাদা দিয়ে আসছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত  সমাধান আসবে।
ShareTweetPin

সর্বশেষ সংবাদ

  • হবিগঞ্জে জুলাই শহিদদের শ্রদ্ধা,যোদ্ধাদের সংবর্ধনা
  • যে ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের ছবি নেই, সেটা কোনো ডকুমেন্টারি নয়: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরকে দায়ী করে ছাত্রদলের বিবৃতি
  • উজিরপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত
  • জুলাই শহিদদের প্রতি মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

বাংলা এফ এম , বাসা-১৬৪/১, রাস্তা-৩, মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন:  +৮৮ ০১৯১৩-৪০৯৬১৬
ইমেইল: banglafm@bangla.fm

  • বাংলা এফএম সম্পর্কে
  • বাংলা এফএম অনলাইন সম্পর্কে
  • গোপনীয়তার নীতি
  • ব্যবহারের শর্তাবলী

© ২০২৬ বাংলা এফ এম

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • প্রবাস
  • ভিডিও
  • কলাম
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • চাকুরি
  • অপরাধ
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • ফটোগ্যালারি
  • ফিচার
  • মতামত
  • শিল্প-সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়

© ২০২৬ বাংলা এফ এম