একসময় ড্রাগন ফল শুধু বড় শহরের সুপারশপে পাওয়া যেত, তবে এখন দেশের বিভিন্ন এলাকায় এর চাষ হচ্ছে। ফলে বাজারে এই ফলের সহজলভ্যতা বেড়েছে এবং দামও অনেকটা কমেছে। পুষ্টিগুণে ভরপুর ড্রাগন ফল নিয়মিত খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে স্বাস্থ্য উপকৃত হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ড্রাগন ফল (ড্রাগন ফ্রুট) এমন এক সুপারফুড যা শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে একাধিক পুষ্টি উপাদান, যা নানাভাবে উপকার দেয়। নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার কিছু প্রধান কারণ হলো:
হজম শক্তি বাড়ায় – ড্রাগন ফলে থাকা প্রচুর ফাইবার হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
অ্যান্টি অক্সিডেন্টের উৎস – এটি শরীরকে দূষণ ও ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষা করে, পাশাপাশি কম ক্যালোরির স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে কাজ করে।
কম ক্যালোরি ও কম কার্বোহাইড্রেট – প্রতি ১০০ গ্রামে মাত্র ৫০–৬০ ক্যালোরি ও ১১–১৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
ভিটামিন সি ও আয়রন সরবরাহ – প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, আয়রন শোষণে সহায়তা করে এবং ত্বকের জন্য ভালো। এতে ক্যালসিয়াম ও আয়রনও থাকে, যা হাড় ও মাংসপেশির স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
ম্যাগনেসিয়ামের উৎস – প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ১৮ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা মাংসপেশি ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়।
প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট – বিশেষত লাল ড্রাগন ফলে থাকে বেটালেইনস, যা শরীরের অক্সিডেশনের চাপ কমাতে ও প্রদাহ হ্রাসে সহায়তা করে।
ড্রাগন ফলের নিয়মিত ব্যবহার শুধু স্বাস্থ্য নয়, শরীরকে প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী রাখে।

