বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্গো ইয়ার্ড টার্মিনালে হাই-মাস্ট লাইট পোস্টে বিদ্যুৎ শকের কারণে একসাথে অসংখ্য অতিথি পাখির মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রকৌশলীদের অবহেলা এবং ত্রুটিপূর্ণ নকশার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, কিছুদিন যাবৎ হাই-মাস্ট লাইটের আশেপাশে মৃত পাখি দেখা গেলেও বিষয়টি উপেক্ষিত ছিল। রবিবার সকালে ইয়ার্ড এলাকায় একটি ল্যাম্পপোস্টের বিদ্যুৎ সংযোগ খোলা হলে প্রায় ত্রিশটি মৃত পাখি দেখা যায়। পরে বন্দরের অন্যান্য ল্যাম্পপোস্টেও একই অবস্থা লক্ষ্য করা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মৃত পাখিগুলো আবাবিল প্রজাতির হতে পারে। রাতে তীব্র আলো এবং ঠান্ডার কারণে পাখিগুলো হাই-মাস্ট লাইটের ফাঁকা অংশে আশ্রয় নেয়। তবে লাইট পোস্টের খোলা এবং অপর্যাপ্তভাবে রক্ষিত বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে পাখিগুলো বিদ্যুৎ শকের শিকার হয়।
পরিবেশ সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং প্রকৌশলীদের ত্রুটিপূর্ণ নকশা এবং দায়িত্বহীনতার ফল। হাই-মাস্ট লাইটে বিদ্যুৎ লাইনের সুরক্ষিত কাভার, ইনসুলেশন এবং বন্যপ্রাণী-নিরাপদ নকশা থাকা বাধ্যতামূলক হলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন রেজা বলেন, “বিষয়টি আমি কয়েকদিন আগে শুনেছি। আগামিকাল বিষয়টি নিয়ে ঢাকায় চিঠি দেব।” স্থানীয়রা এই মন্তব্যকে গুরুত্বহীন মনে করছেন এবং দ্রুত তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিত করা ও হাই-মাস্ট লাইটের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বন্যপ্রাণীবান্ধবভাবে সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

