দেশের আকাশে আংশিক মেঘ থাকলেও বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বর্তমানে দেশের কোথাও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিবাহী মেঘের উপস্থিতি নেই। তবে আবহাওয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতিতে শীতের প্রভাব স্পষ্টভাবে অনুভূত হতে শুরু করেছে।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেটরি টিম (বিডব্লিউওটি) এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে, সাগর অঞ্চল সম্পূর্ণ শান্ত থাকলে ডিসেম্বরের শুরু থেকে মাঝামাঝি সময়ে মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে। তাদের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এ বছর ডিসেম্বরেই শৈত্যপ্রবাহ নামার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি।
ইতোমধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলে ভোরের কুয়াশা আর সন্ধ্যার হিমেল হাওয়ায় শীতের আগমনী বার্তা স্পষ্ট হচ্ছে। শুক্রবার পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, নভেম্বরের শেষ দিকে বঙ্গোপসাগরে কোনো নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় তৈরি না হলে তাপমাত্রা আরও দ্রুত কমতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ বছর শীতের ধরন কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। নভেম্বরজুড়ে শীত ধীরে বাড়লেও তা থাকবে মৃদু ও উপভোগ্য। ভোরের ঘন কুয়াশা, দিনের শেষভাগে ঠাণ্ডা হাওয়া এবং রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রার দ্রুত পতন—এ প্রবণতা পুরো মাসজুড়েই থাকবে। তবে নভেম্বরের শীত শৈত্যপ্রবাহের মতো তীব্র হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শীতের প্রভাব উত্তরাঞ্চল থেকে ছড়িয়ে পড়বে মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলেও। শিশিরভেজা সকাল, কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর এবং সন্ধ্যার ঠাণ্ডা বাতাস মিলিয়ে নভেম্বর হয়ে উঠছে শীতের আগমনী বার্তার এক মনোরম মাস।

