মাহফুজুল হক পিয়াস, ইবি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিএনপিপন্থী এক শিক্ষকের পোষ্য কোটা নিয়ে মন্তব্যের পর এবার হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের জামায়াতপন্থী শিক্ষক অধ্যাপক ড. আবু সিনা পোষ্যকোটা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন। তিনি ইবির জামায়াতপন্থী সংগঠন গ্রিন ফোরামের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে জামায়াতপন্থী ঐ শিক্ষক নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে লেখেন, “সন্তান কোটায় কি কারো স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়েছে বা কোন বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে? সব আন্দোলন মেনে নেয়া উচিৎ নয়। সারা বাংলাদেশে প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে এর নজির রয়েছে।”
তিনি মন্তব্যের ঘরে আরো লেখেন, “এটা কোটা নয় সুবিধা। আমার ছেলে না পড়লে তোমার বা তোমার বাবার কি উপকার হবে? “
এর আগে, ২০ সেপ্টেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম “পোষ্য কোটা’ কখনোই সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থের সাথে সাংঘর্ষিক নয়” এমন মন্তব্য করেন। জানা গেছে, ড. জাহিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী সংগঠন জিয়া পরিষদের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক।
অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামও পোষ্যকোটা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন- “পোষ্যকোটা কখনোই সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। এর ফলে কারও অধিকার বঞ্চিত হয় না। কারণ এটি মূল ভর্তি সার্কুলারে উল্লেখিত আসনের বাইরে অতিরিক্ত সিট, যা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি প্রথা। তাই একে আসলে ‘কোটা’ বলা যায় না; বরং এটি ‘সংখ্যাতিরিক্ত ভর্তি সিট’। তাহলে অকারণে কেন এই আন্দোলন? পোষ্য সিটের কারণে অন্য কারও ভর্তি সুযোগ নষ্ট হয় না। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আন্দোলনের নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যেভাবে কিছু শিক্ষার্থী বাড়াবাড়ি করেছে এবং সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দের সাথে অশোভন আচরণ করেছে-তা অত্যন্ত নিন্দনীয়, গর্হিত অপরাধ। এ ধরনের আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, ভবিষ্যৎ এর জন্য অশনিসংকেত!”

