বেশ কয়েক বছর রাজনীতিতে ছিলেন নীরব। হঠাত করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রার্থী হবেন কামরুল হাসান নাসিম, নিজ থেকে তা জানালেও তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকার জটিলতায় আটকে পড়লেও বুধবার বিকেলে আপিল ট্রাইব্যুনাল তাঁর মনোনয়নটি বৈধ বলে ঘোষণা করেছে। ফলশ্রুতিতে ঢাকা-১৭ আসনটি এখন তুমুল আলোচনা ও কৌতূহলের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে বলে অনুমিত হয়। কারণ, এই আসন থেকেই নির্বাচন করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
উল্লেখ্য, কামরুল হাসান নাসিম রাজনীতিতে নানা কারণে আলোচনায় এসেছেন বারবার। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে ছিলেন বিএনপির সাথেই। কিন্তু ২০০৬ সাল থেকে তিনি নিষ্ক্রিয় হয়ে যান। অতঃপর, তিনি ২০০৯ সালে ‘গড়বো বাংলাদেশ’ নামে একটি সংগঠনের স্থপতি ও মুখপাত্র হিসাবে হাজির হয়ে দেশব্যাপি আলোচনায় আসেন। কিন্তু ২০১৩ সালের পর প্রায় দেড় বছর নির্বাসিত জীবন পার করার পর বিএনপি পুনর্গঠন চেয়ে ২০১৫ সালে নতুন করে আলোচনায় আসেন।
মনোনয়ন বৈধ হওয়ার পর নাসিম জানালেন যে, “তিনি বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও আগামী দিনের রাজনীতির জন্য সাধারণ ভুমিকা পালন করতে চান এবং একই সঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার মধ্য দিয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক রাজনীতির প্রতিনিধি হিসাবে লক্ষ্য পূরণ করতে চান।
এদিকে ঢাকার অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ক্যান্টনমেন্ট নিয়ে ঢাকা-১৭ আসন গঠিত। এই আসনে (ঢাকা-১৭) কাঁঠাল প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপির ডা. মতিন অংশ) প্রার্থী হয়েছেন কামরুল হাসান নাসিম।
সূত্রমতে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামী নেতা ডা. এসএম খালিদুজ্জামান প্রার্থী হিসাবে ধাকা-১৭ আসনে এতদিন আলোচনায় থাকলেও বহুমাত্রিক নাসিমের নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে উত্তাপ বাড়বে বলে মনে করছে এই অঞ্চলের বাসিন্দারা।

