স্টাফ রিপোর্টার:
ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) সংসদীয় আসনে বিএনপি ও ইসলামী জোটের বাইরে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে স্থপতি মুজাহিদ বেগ নির্বাচনী মাঠে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। শুরু থেকেই তিনি শক্ত অবস্থান নিয়ে মাঠে সক্রিয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে, আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশের সমর্থন তিনি পেতে পারেন।
গত ৩ জানুয়ারি দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে স্থপতি মুজাহিদ বেগের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন।
পরবর্তীতে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা হলে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের আপিল কর্তৃপক্ষ তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন।
মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার খবরে বুধবার বিকেল থেকেই তাঁর সমর্থক ও অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় ভোটার ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দের আবহ বিরাজ করছে।
সমর্থকরা জানান, স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ হিসেবে স্থপতি মুজাহিদ বেগ দীর্ঘদিন ধরে জনগণের অধিকার রক্ষা ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে আসছেন। তাদের মতে, তাঁর মতো যোগ্য ও সৎ মানুষ এমপি হিসেবে এলাকাবাসীর প্রয়োজন।
প্রতিক্রিয়ায় স্থপতি মুজাহিদ বেগ বলেন, “মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার মাধ্যমে আমার লক্ষ্য আরও স্পষ্ট হয়েছে। জীবনের বাকি সময়টা ফরিদপুর-৪ আসনকে একটি আদর্শ ও উন্নত মডেল সংসদীয় এলাকায় রূপান্তর করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, এখানকার মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা এবং এলাকাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত করাই তাঁর প্রধান অঙ্গীকার। “সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়া প্রয়োজন, যাতে পরিকল্পিতভাবে এলাকার উন্নয়নে কাজ করা যায়। আমার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের মানুষের পাশে ছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ফরিদপুর-৪ আসনের মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই,”—যোগ করেন তিনি।
পথচলায় কিছু প্রতিবন্ধকতার কথাও উল্লেখ করে মুজাহিদ বেগ বলেন, আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে সেসব বাধা অতিক্রম করা সম্ভব হয়েছে। সবার দোয়া ও সহযোগিতায় বিজয়ের পথে এগিয়ে যেতে তিনি আশাবাদী।
নির্বাচিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থান খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন স্বতন্ত্র এই প্রার্থী।

