দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “বিইআরসি কিছুটা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু একদল অসাধু ব্যবসায়ী এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন এবং বাজারে অস্বাভাবিকভাবে দাম বৃদ্ধি করেছেন। এর কোনো বাস্তব কারণ নেই।”
উপদেষ্টা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ইতিমধ্যেই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশের প্রতিটি জেলায় এলপিজির দাম মনিটর করার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ যৌথভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবে। সোমবারের আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাতেও বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মূলত খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা মিলিত হয়ে এই সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে উল্লেখ করেন, “যদি কোনো ব্যবসায়ী নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখে বা অবৈধভাবে মজুত করে, তাকে জরিমানা এবং অন্যান্য কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।”
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান আশা প্রকাশ করেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৎপরতার কারণে দ্রুতই এলপিজি গ্যাসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালে ফিরে আসবে এবং বাজারে স্বস্তি বজায় থাকবে।

