ঢাকা–৮ আসনের প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শুক্রবার বিকালে তাকে দেখতে গিয়ে আবেগ সামলাতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তার সঙ্গে ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা।
জুমার নামাজের পর বিজয়নগর এলাকায় মোটরসাইকেলে এসে হাদির ওপর গুলি চালায় অজ্ঞাত হামলাকারীরা। গুরুতর অবস্থায় তাকে দ্রুত ঢামেকে ভর্তি করা হয় এবং পরে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “হাদির মতো আমাদেরও জীবনঝুঁকি রয়েছে। তবু আমরা ভয় না পেয়ে রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাব।”
গত নভেম্বরে হাদি দাবি করেছিলেন, দেশি–বিদেশি অন্তত ৩০টি নম্বর থেকে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ১৩ নভেম্বর গভীর রাতে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, তার পরিবারকে আক্রমণের হুমকিও দেওয়া হয়েছে এবং তাকে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে। সেই পোস্টে তিনি আওয়ামী লীগকে এ হুমকির জন্য দায়ী করেন।
হামলার দিন দুপুরে, জুমার নামাজের কিছু আগে, বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে হাদি আরেকটি ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন—ঢাকা–৮ আসনে তার কোনো পোস্টার–ফেস্টুন না থাকায় ছেঁড়া–ছিঁড়ির চাপ নেই এবং দুদকের সামনে থেকে তিনি সবাইকে জুম্মা মোবারক জানিয়েছেন।

