খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার রামেসু বাজারে আজ রোববার দুপুরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। অবরোধ চলাকালে এই আগুনে কমপক্ষে ২০টির বেশি দোকান ও কয়েকটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনাস্থলে কয়েকটি দোকান, বসতবাড়ি ও মোটরসাইকেল আগুনে পুড়ে যায়। আগুন লাগার সময় বাজারে ২০–২৫ জন পরিচিত নয় এমন লোক উপস্থিত ছিলেন, যারা মুখোশ পরা অবস্থায় বাজার লুটপাট করে এবং আগুন ধরিয়ে চলে যায়।
দ্বীপায়ন ত্রিপুরা মন্তব্য করেন, “পাহাড়ি কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের প্রতিবাদে ‘জুম্ম-ছাত্র জনতা’র ব্যানারে চলমান অবরোধের সময় এমন পরিকল্পিত আগুন লাগানো পরিস্থিতি গুরুতর এবং গ্রহণযোগ্য নয়।”
সুইচিসাই, ‘জুম্ম ছাত্র-জনতা’র সংগঠক, জানান, দুপুর ১২টার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রামেসু বাজার এলাকায় তল্লাশি চালাতে আসলে স্থানীয়রা প্রতিবাদে একত্রিত হয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয় এবং ছররা গুলি চালানো হয়, এতে ৬–৭ জন গুরুতর আহত হন।
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এনামুল হক চৌধুরী বলেন, “অবরোধের কারণে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে তীব্র এবং আমরা বিস্তারিত জানাতে সময় লাগবে।”

