গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগপাড়ে অনুষ্ঠিত জোড় ইজতেমা ময়দানে নূর আলম (৮০) নামের এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি ইজতেমা মাঠেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান।
পরিবার ও ইজতেমায় অংশ নেওয়া সাথিদের বরাতে জানা যায়, নূর আলম নোয়াখালী সদর উপজেলার আন্ডারচর (কাজীর তালুক) এলাকার বাসিন্দা এবং সুলতান আহমদের ছেলে। জোড় ইজতেমায় তিনি নোয়াখালী খিত্তায় অবস্থান করছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে স্বাভাবিকভাবেই ঘুমাতে গেলেও ভোরের দিকে তার সাড়া-শব্দ না পেয়ে সাথিরা তাকে কাছের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাবলিগ জামাতের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি হিসেবে প্রতি বছর যেভাবে অনুষ্ঠিত হয়, ঠিক সেই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ফজরের নামাজের পর ৫ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। শুরু হওয়ার আগেই এক মুসল্লির মৃত্যুর ঘটনা ময়দানে উপস্থিত সবার মাঝে বিষাদের সৃষ্টি করেছে।
এদিকে টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি হারুন অর রশিদ জানান, জোড় ইজতেমা উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রচুর সংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতির কারণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, নূর আলম দীর্ঘদিন ধরে তাবলিগের বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন এবং নিয়মিতভাবে চিল্লায় অংশ নিতেন। ইজতেমার আধ্যাত্মিক পরিবেশেই তার মৃত্যু হওয়ায় সাথিরা এটিকে ‘হুসনে খাতিমা’ হিসেবে দেখছেন।
তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

