বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আয়োজনে ৫০তম বিসিএস পরীক্ষার আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ফি জমার শেষ সময় ৩ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে।
এর আগে ৩ ডিসেম্বর পিএসসি তাদের ওয়েবসাইটে অনলাইন ফরম পূরণ, ফি পরিশোধ ও অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে স্বাক্ষর করেন কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীন।
শূন্যপদের সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী—
-
ক্যাডার পদ: ১,৭৫৫টি
-
নন-ক্যাডার পদ: ৩৯৫টি
-
মোট নিয়োগ: ২,১৫০ জন
বয়সসীমা
-
১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রার্থীর বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া
প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে—
-
bpsc.teletalk.com অথবা
-
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে
নির্ধারিত অনলাইন ফরম BPSC Form-1 পূরণ করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
আবেদন ফি
-
সাধারণ প্রার্থী: ২০০ টাকা
-
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থী: ৫০ টাকা
👉 আবেদন সাবমিট করার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফি পরিশোধ অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে।
আবেদন করতে যে তথ্য লাগবে
অনলাইন ফরম পূরণের সময় নিচের তথ্য ও কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে—
-
এসএসসি ও এইচএসসি/সমমানের রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ড, পাসের সন ও ফলাফল
-
স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের প্রতিষ্ঠান, রোল, সেশন, বিষয়, ফলাফল ও পাসের বছর
-
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্মনিবন্ধন/পাসপোর্ট নম্বর
-
সদ্য তোলা রঙিন ছবি (৩০০×৩০০ পিক্সেল, সর্বোচ্চ ১০০ কেবি)
-
স্বাক্ষরের ছবি (৩০০×৮০ পিক্সেল, সর্বোচ্চ ৬০ কেবি)
-
উচ্চতা, ওজন ও বুকের মাপের তথ্য
-
৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তির কপি
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
-
ফি দেওয়ার আগপর্যন্ত আবেদন সংশোধনের সুযোগ থাকবে।
-
পদসংস্কার, নতুন পদ সৃষ্টি বা বাতিলসহ নানা কারণে শূন্যপদের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
-
যেসব প্রার্থী এখনো এমন কোনো পরীক্ষায় অবতীর্ণ, যেটি পাস করলে বিসিএসে আবেদনের যোগ্যতা অর্জন করবেন—ফল প্রকাশ না হলেও তারা ‘অবতীর্ণ প্রার্থী’ হিসেবে সাময়িকভাবে আবেদন করতে পারবেন।
-
সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করলে বা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলে আবেদন অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
-
চাকরি থেকে অপসারণপ্রাপ্ত বা ইস্তফাদানকারী প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন; তবে সংশ্লিষ্ট আদেশের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।
-
প্রিলিমিনারি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের কোনো সুযোগ নেই।
প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা
যেসব প্রতিবন্ধী প্রার্থীর শ্রুতিলেখকের প্রয়োজন হবে, তারা ৮ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে—
-
ডাক্তারি প্রত্যয়নপত্র
-
ছবি
-
প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্রের কপি
সহ কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) বরাবর আবেদন করলে পিএসসি তাদের জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শ্রুতিলেখক সরবরাহ করবে।

