চট্টগ্রাম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনে (ইপিজেড) প্যাসিফিক গ্রুপের আটটি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে শনিবার সকাল থেকে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো হলো—প্যাসিফিক জিন্স–১, প্যাসিফিক জিন্স–২, প্যাসিফিক অ্যাটায়ার, প্যাসিফিক এক্সেসরিজ, প্যাসিফিক ওয়ার্কওয়্যারস, ইউনিভার্সাল জিন্স, এইচটি ফ্যাশন এবং জিন্স ২০০০।
বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে প্যাসিফিক গ্রুপ কর্তৃপক্ষ শ্রমিক বিক্ষোভ ও অস্থিরতার জেরে এসব কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৪ অক্টোবর থেকে কিছু শ্রমিক বেআইনিভাবে কর্মবিরতি পালন করছেন। একাধিকবার কাজে ফেরার নির্দেশনা দেওয়া হলেও তারা তা মানেননি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৫ ও ১৬ অক্টোবর শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ, ভাঙচুর এবং কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। এসব আচরণ বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন ২০১৯ অনুযায়ী বেআইনি ধর্মঘট হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অবস্থায় কারখানাগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম চালু রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ায় কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।
এদিকে, কারখানা বন্ধের ঘোষণায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা শনিবার সকাল থেকেই ইপিজেড এলাকার বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন। তারা দ্রুত কারখানা চালুর দাবি জানান।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

